বড়লেখামৌলভীবাজার

বড়লেখায় গরু চু’রি করে জঙ্গলে জবাই, গ্রে’প্তার ২

বড়লেখা প্রতিনিধি: বড়লেখা উপজে’লার সুজানগর ইউনিয়নের ঝগড়ি গ্রামে দিনে দুপুরে মাঠ থেকে এক ব্যবসায়ির লাখ টাকা দামের গরু চু’রির পর জবাই করে মাংস ফ্রিজে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হলো না চো’র সিন্ডিকে’টের হোতা নাজিম উদ্দিন ও তার ছে’লে এম’দাদুল হক মুন্নার। সোমবার সন্ধ্যায় পু’লিশ তাদের নিজ বাড়ি থেকে ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা চো’রাই গরুর মাংসের অংশ বিশেষসহ তাদের গ্রে’প্তার করেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী গরুর মালিক মতি লাল দাস গ্রে’প্তার পিতা-পুত্রসহ চারজনের বি’রুদ্ধে রাতেই থা’নায় গরু চু’রির মা’মলা করেন। অন্য আ’সামিরা হলেন, কা’ম’রান আহম’দ ও ছলিম উদ্দিন।

জানা গেছে, উপজে’লার ঝগড়ি গ্রামের ব্যবসায়ি ও কৃষক মতি লাল দাস রোববার সকালে গৃহপালিত ছয়টি গরু বাড়ির পাশের মাঠে ঘাস খেতে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। দুপুরে গরু আনতে গিয়ে দেখেন প্রায় লাখ টাকা দামের সবচেয়ে বড় গরুটি আর মাঠে নেই। খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যার দিকে ঘটনাস্থলের কয়েকশ’ ফুট দূরে বিন্না বনে চু’রি যাওয়া গরুটির চামড়া, ভুড়ি ও বেঁধে রাখার রশি পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানান।

ইউপি সদস্যের খবরে থা’নার এসআই আতাউর রহমান সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিশ্চিত হন চো’রেরা গরুটি জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে। বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে তিনি পার্শ্ববর্তী নাজির খাঁ গ্রামের নাজিম উদ্দিনের বাড়িতে অ’ভিযান চালান। পু’লিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নাজিম উদ্দিন ও তার ছে’লে এম’দাদুল হক মুন্না বসতঘরের সানসেডের ওপর লুকিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তাদেরকে আ’ট’ক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পু’লিশ তাদের ঘরের ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা চো’রাই গরুর মাংস উ’দ্ধার করে।

এসআই আতাউর রহমান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর নানা আলামতের ভিত্তিতে তিনি ব্যবসায়ি মতি লাল দাসের গরু চু’রির ঘটনায় সম্পৃক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার ও পরে তাদের হেফাজত থেকে মাংসও উ’দ্ধার করেন। মঙ্গলবার দুপুরে গ্রে’প্তার নাজিম উদ্দিন ও তার ছে’লে এম’দাদুল হক মুন্নাকে আ’দালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অ’পর দুই আ’সামিকে গ্রে’প্তারের চেষ্টা চলছে।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!