প্রবাস

বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়কে যু’ক্তরাষ্ট্রে ভা’র্জিনিয়ার সিনেটে স্বীকৃতি

বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভা’র্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির নাম উঠে এলো ভা’র্জিনিয়ার স্টেট সিনেট অ্যাসেম্বলিতে।

১৮ জানুয়ারি বুধবার ভা’র্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স স্টেট সিনেটর জন চ্যাপম্যান পিটারসন যু’ক্তরাষ্ট্রের ভা’র্জিনিয়ার স্টেট সিনেট অ্যাসেম্বলিতে তার উপস্থাপনায় তুলে আনেন তার নিজের নির্বাচনী এলাকার এই বিশ্ববিদ্যালটির কথা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভা’র্জিনিয়ার ৪০ টি ডিস্ট্রিক্টের স্টেট সেনেটররা। ছিলেন অভ্যাগত অ’তিথিরা। অ্যাসেম্বলি পরিচালনা করেন লেফট্যান্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল সিয়ার্স।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এতে যোগ দেন। এতে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএফও ফারহানা হানিপ, বিজনেস স্কুলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মা’র্ক রবিনসন, জেনারেল এডুকেশন অ্যান্ড সেন্টার ফর স্টুডেন্ট সাকসেস এর অ্যাসিসট্যান্ট ডাইরেক্টর ড. হুয়ান লি ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এমএসআইটি’র ছাত্র নাঈম হাসান।

সিনেটরের উপস্থাপনার পর লেফটেন্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল সিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান এবং যু’ক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষার বিস্তার এবং ভবিষ্যতের জন্য আশা জাগানিয়া অবদান রাখার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০২১ সালে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বিশ্ববিদ্যালয়টির মালিকানা নেন। এরপর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টি তার শিক্ষণ ও পরিচালন পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনে। যার মধ্য দিয়ে এটি দ্রুত উন্নতির পথে এগিয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ২০২১ সালে তিনশো ছাত্রছা’ত্রী নিয়ে আবুবকর হানিপ তার যাত্রা শুরু করেন। দুই বছরের ব্যবধানে ছাত্রছা’ত্রীর সংখ্যা দাড়িয়েছে এখন ১২শ’র বেশি। এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা চারগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। যার মধ্যে পাঁচশতাধিক বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলার কা’ম প্রাক্টিশনার শিক্ষক, সুসংগঠিত টিমওয়ার্ক, শ্রেণিকক্ষে কর্মস্থলের রে’প্লিকা সৃষ্টি করে দেওয়া বিশেষ শিক্ষাপদ্ধতি এবং সেন্টার ফর স্টুডেন্ট সাকসেস প্রতিষ্ঠাই এই সাফল্যের কারণ।

ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের পাশাপাশি যু’ক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও গ্রিনকার্ড হোল্ডার শিক্ষার্থীরাও এখন এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের পাঠস্থল হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।

পরে এক প্রতিক্রিয়ায় ডব্লিউইউএসিটর চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, প্রত্যেকটা কাজেরই একটা স্বীকৃতির প্রত্যাশা থাকে। স্টেট অ্যাসেম্বলিতে ওয়াশিংটন ইউনিভা’র্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কথা উঠে আসা একটি অন্যতম স্বীকৃতি। এতে আমাদের এগিয়ে চলার পথে নতুন উদ্দীপনা কাজ করবে। তিনি বলেন, অ্যাসেম্বলি হলে সকল স্টেট সিনেটর ও অন্য অ’তিথিরা যখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য করতালি দিচ্ছিলেন সে সময়টি আমাকে অবশ্যই গর্বিত করেছে। দৃশ্যটি আমা’র দীর্ঘদিন মনে ধরে থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, যু’ক্তরাষ্ট্রের ভা’র্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভা’র্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির জন্য দিনটি ছিলো স্ম’রণীয় হয়ে থাকার মতো একটি দিন।

ডব্লিউইউএসটি প্রধান অর্থকর্মকতা ফারহানা হানিপ বলেন, এই অজর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের। এতে সবাই আরও উদ্দীপ্ত হয়ে কাজ করবে।

স্টেট পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি যে স্বীকৃতি পেলো নি:স’ন্দেহে তা এর নতুন পথ চলার উদ্দীপনা হয়ে থাকবে। একসময় ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকেও মিলবে এমন স্বীকৃতি এমনটাই প্রত্যাশা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যু’ক্ত সকলের।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!